April 16, 2024
Breaking News

ভুবনেশ্বর থেকে এক পয়েন্ট নিয়ে ফিরছে বাগান

নিজস্ব সংবাদদাতা, Todays Story: ভুবনেশ্বর থেকে এক পয়েন্ট নিয়ে ফিরছেন আন্তোনিও হাবাস। শনিবার ওড়িশা এফসির সঙ্গে গোলশূন্য ড্র মোহনবাগানের। নব্বই মিনিটের রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ে কোনও দলই গোলমুখ খুলতে পারেনি। যার ফলে লিগ টেবিলের মগডালে ওঠা হল না কাউকো, শুভাশিসদের। ১৫ ম্যাচে ৩০ পয়েন্ট নিয়ে তিন নম্বরেই রইল বাগান। এক ম্যাচ বেশি খেলে ৩২ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষস্থান দখল করে রাখল সার্জিও লোবেরার দল। তবে এদিন যেকোনও দলই তিন পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়তে পারত। গোলের সুযোগ যেমন পান দিয়েগো মরিসিও, রয় কৃষ্ণ, তেমনই তেকাঠিতে বল রাখতে ব্যর্থ আর্মান্দো সাদিকু, দিমিত্রি পেত্রাতোসরা। তবে রক্ষণ সংগঠনের জন্য হাবাসের প্রশংসা করতেই হবে। গোলের জন্য ঝাঁপালেও ব্যাকলাইনে কোনও ঘাটতি ছিল না। তবে রয়,‌ ইসাকদের গতির কাছে বেশ কয়েকবার পরাস্ত হন ইউস্তে, শুভাশিসরা। কিন্তু কোনও বিপদ ঘটেনি। অন্যদিকে দুটো সিটার নষ্ট করেন সাদিকু। সামনে শুধু বিপক্ষের গোলকিপার অমরিন্দরকে পেয়েও গোল করতে ব্যর্থ। তবে ওড়িশার মতো শক্তিশালী দলের থেকে এক পয়েন্ট নিয়ে ফিরতে পেরে সন্তুষ্টই হবেন হাবাস। কলকাতায় তৃতীয় ইনিংসে আইএসএলের সফলতম কোচ এখনও অপরাজিত। প্রথমার্ধে অন্তত তিন গোলে এগিয়ে যেতে পারত মোহনবাগান। হ্যাটট্রিক করতে পারতেন আর্মান্দো সাদিকু। যেসব সুযোগ নষ্ট করেন, সেটা ক্ষমাহীন অপরাধ। ম্যাচের প্রথম কোয়ার্টারে প্রথম ওয়ান টু ওয়ান মিস আলবেনিয়ার স্ট্রাইকারের। তারপর ২৪ মিনিটে আশিস রাইয়ের ক্রস থেকে বাইরে মারেন সাদিকু। দশ মিনিট পর আবার সুযোগ। ম্যাচের ৩৪ মিনিটে সাহালের পাস থেকে সাদিকুর শট কোনওক্রমে বাঁচান অমরিন্দর। এক পয়েন্ট নিশ্চিত করে জয়ের জন্য ঝাঁপায় দুই কোচই।‌ বাগানকে খেলা তৈরির ফাঁকা জমি দেননি লোবেরা। গোলের সুযোগ ছিল ওড়িশার সামনেও। ইনজুরি টাইমে রয় কৃষ্ণর পাস থেকে মরিসিওর শট ক্রসপিসে লাগে। বিরতির ঠিক আগে ইশাক রালতে বাইরে মারেন। দুই দলই একে অপরকে মেপে খেলে। যার বলে যুবভারতীতে ২-২ ড্রয়ের পর, দ্বিতীয় লেগও অমীমাংসিত। তবে ডানদিক দিয়ে সবুজ মেরুন রক্ষণে একনাগাড়ে সমস্যা তৈরি করেন রয় কৃষ্ণ। এই প্রথম হাবাসের বিরুদ্ধে নামেন। বেশ কার্যকরী ভূমিকা নেন। কিন্তু পুরোনো দলের বিরুদ্ধে বল জালে রাখতে পারেননি। ম্যাচের ৬২ মিনিটে সামনে একা বিশাল কাইতকে পেয়েও গোলে রাখতে পারেননি রয় কৃষ্ণ। গতি দিয়ে শুভাশিস, ইউস্তেকে পরাস্ত করে বক্সের মধ্যে বিপজ্জনক জায়গায় ঢুকে পড়েন ফিজির স্ট্রাইকার। কিন্তু শেষমেষ বাইরে মারেন। দ্বিতীয়ার্ধে দু”দলই গোলের জন্য অলআউট ঝাঁপায়। ইউস্তেকে বেশ কয়েকবার চাপের মুখে ফেলে দেন মরিসিও, রয় কৃষ্ণ। তবে টিমওয়ার্কে বেঁচে যায় বাগান। ম্যাচের ৬৫ মিনিটে সাদিকুকে তুলে কামিন্সকে নামান হাবাস। কিন্তু তাতেও লাভের লাভ কিছু হয়নি। ম্যাচের ৮০ মিনিটে মনবীরের শট তালুবন্দি করেন অমরিন্দর। তার এক মিনিটের মাথায় কামিন্সের শট রোখেন। অন্তিমলগ্নে আশিস রাইয়ের ক্রস থেকে কামিন্সের হেড বাঁচান অমরিন্দর।

error: Content is protected !!